Published in: Prothom Alo
Date: 4 Jan 2020
অ্যাস্ট্রেজেনেকা ও অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের টিকা জরুরি ব্যবহারের জন্য অনুমোদন দিয়েছে ভারতের ওষুধ নিয়ন্ত্রক সংস্থা। এ ছাড়া সরকারিভাবে পরিচালিত স্থানীয় ভারত বায়োটেকের টিকাও জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন পেয়েছে। এক সপ্তাহের মধ্যে ভারত টিকাদান কর্মসূচি শুরু করতে যাচ্ছে। এ বছরের প্রথম ছয় থেকে আট মাসের মধ্যে ভারত বিনা মূল্যে ৩০ কোটি টিকা দিতে পারবে বলে আশা করছে।
রয়টার্সের খবরে জানা যায়, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি টিকা অনুমোদনের বিষয়টিকে স্বাগত জানিয়েছেন। টুইটে তিনি বলেছেন, এটি প্রত্যেক ভারতীয়র জন্য গর্বের। তিনি আরও বলেন, এটি স্বনির্ভর দেশের লক্ষণ।
ভারতে করোনাভাইরাসে এক কোটিরও বেশি মানুষ সংক্রমিত হয়েছে। মৃত্যু হয়েছে প্রায় দেড় লাখ মানুষের। তবে গত সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময় থেকে দেশটিতে করোনার সংক্রমণের হার কিছুটা কমেছে।
যুক্তরাজ্য, আর্জেন্টিনা ও এল সালভেদরে অ্যাস্ট্রেজেনেকার টিকা অনুমোদন পেয়েছে। ভারত বায়োটেকের কোভ্যাক্সিন কঠোর নজরদারির মধ্যে দিয়ে পরিচালিত হবে।
ভারত সরকার অ্যাস্ট্রেজেনেকা টিকার জন্য স্থানীয় প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান সেরাম ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়ার সঙ্গে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক চুক্তি করতে পারেনি। তবে কয়েক দিনের মধ্যে এই চুক্তি হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। সেরাম ইনস্টিটিউটে পাঁচ কোটি ডোজ টিকা মজুত রয়েছে।
ভারতের স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষ বর্ধন টুইটার ইন্ডিয়াকে বলেছেন, দ্রুত ও সুষ্ঠুভাবে টিকা বিতরণের জন্য ভারত প্রস্তুত।
সেরাম ইনস্টিটিউটের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আদর পুনেওয়ালা রয়টার্সকে বলেন, দুই মাসের মধ্যে সরকার ১০ কোটি টিকা কিনবে বলে তাঁরা আশা করছেন। সে সময় পর্যন্ত টিকা রপ্তানিতে বিধিনিষেধ থাকবে। আগস্ট মাসের মধ্যে সিরাম ৩০ কোটি টিকা সরবরাহ করতে পারবে বলে আশা করছে।
ভারতের ড্রাগস কন্ট্রোলার জেনারেল ভি জে সোমানি বলেছেন, বাইরের দেশগুলোয় পরীক্ষামূলক প্রয়োগের ওপর ভিত্তি করে অ্যাস্ট্রেজেনেকার টিকার (স্থানীয়ভাবে কোভিশিল্ড নামে পরিচিত) ৭০ দশমিক ৪২ শতাংশ কার্যকারিতা প্রমাণিত হয়েছে। কিন্তু ভারতে এই টিকার কার্যকারিতা নিয়ে কোনো গবেষণা হয়নি।
সোমানি আরও বলেন, সরকার পরিচালিত ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিকেল রিসার্চের সঙ্গে ভারত বায়োটেকের কোভ্যাক্সিন টিকার কাজ করা হয়েছে। এটি নিরাপদ ও কার্যকর বলে প্রমাণিত হয়েছে। তিনি আরও বলেছেন, দুটি টিকারই দুটি করে ডোজ দিতে হবে। টিকাগুলো ২ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করা হবে।
ভারত বায়োটেক ভারতের হায়দরাবাদভিত্তিক প্রতিষ্ঠান। দেশীয় পদ্ধতিতে তারা ‘কোভ্যাক্সিন’ নামের টিকা তৈরি করেছে।
সেরাম ইনস্টিটিউট পুনেভিত্তিক প্রতিষ্ঠান। অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার করোনার টিকা প্রকল্পের অন্যতম অংশীদার তারা। সেরাম ইনস্টিটিউট ‘কোভিশিল্ড’ নামে ভারতে এই টিকা উৎপাদন করেছে।
Source:
https://www.prothomalo.com/world/india/%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%97%E0%A6%97%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A6%87-%E0%A6%85%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A6%BE-%E0%A6%93-%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%80%E0%A7%9F-%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%9F%E0%A7%8B%E0%A6%97-%E0%A6%B6%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%81