• Have any questions?
  • +88-01714063309
  • info@bdix.net
SDNF-LogoSDNF-LogoSDNF-LogoSDNF-Logo
  • Home
  • About
  • Covid 19
  • Contact

দক্ষিণ আফ্রিকার করোনার ধরন বাংলাদেশে

  • Home
  • Blog
  • Covid 19 Bangladesh Bangladesh Media Resources Bangladesh Media Resources News
  • দক্ষিণ আফ্রিকার করোনার ধরন বাংলাদেশে
বাড়ছে সংক্রমণ, কমছে টিকা গ্রহণ
March 15, 2021
SARS COV-2: Researchers find 34 unique mutations in Bangladesh
March 21, 2021

দক্ষিণ আফ্রিকার করোনার ধরন বাংলাদেশে

March 15, 2021
Categories
  • Bangladesh Media Resources News
Tags

Published in: Prothom Alo

Date: 15 Mar 2021

দক্ষিণ আফ্রিকায় পাওয়া করোনাভাইরাসের নতুন ধরনের (স্ট্রেইন) অস্তিত্ব বাংলাদেশেও পাওয়া গেছে। গত ৬ ফেব্রুয়ারি এই অস্তিত্বের প্রমাণ মিলেছে। ঢাকার বনানীর ৫৮ বছর বয়সী এক নারীর শরীর থেকে সংগ্রহ করা নমুনায় এই স্ট্রেইন পাওয়া গেছে বলে কয়েকটি সূত্র নিশ্চিত করেছে।

বাংলাদেশে দক্ষিণ আফ্রিকার এই স্ট্রেইন পাওয়ার খবর করোনাভাইরাসের জিনোম সিকোয়েন্সের উন্মুক্ত তথ্যভান্ডার জার্মানির গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভ অন শেয়ারিং অল ইনফ্লুয়েঞ্জা ডাটার (জিসএআইডি) ওয়েবসাইটে ইতিমধ্যেই প্রকাশিত হয়েছে। বাংলাদেশে এই স্ট্রেইন পাওয়ার খবর নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদের (বিসিএসআইআর) জিনোমিক রিসার্চ ল্যাবরেটরির গবেষক দলও।

এটার কথা আমরা জানি না। তবে জিসএআইডির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়েছে বলে জেনেছি।
তাহমিনা শিরিন, আইইডিসিআরের পরিচালক

বিসিএসআইআরের বিজ্ঞানীরা প্রথম আলোকে জানিয়েছেন, গত ২৪ জানুয়ারি আগারগাঁওয়ের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ল্যাবরেটরি মেডিসিন অ্যান্ড রেফারেল সেন্টার এই নমুনা সংগ্রহ করে। এরপর জিনোমিক রিসার্চ ল্যাবরেটরিতে দেওয়া হলে গবেষকেরা করোনাভাইরাসের ওই নমুনার পূর্ণাঙ্গ জিন নকশা (হোল জিনোম সিকোয়েন্স) উন্মোচন করেন। গত ৬ ফেব্রুয়ারি গবেষকেরা ওই করোনাভাইরাসের হোল জিনোম সিকোয়েন্স জিসএআইডি তথ্যভান্ডারে জমা দেন। এরপর গত ৮ ফেব্রুয়ারি জিসএআইডির ওয়েবসাইটে তা প্রকাশিত হয়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে জিনোমিক রিসার্চ ল্যাবরেটরির এক গবেষক আজ সোমবার সন্ধ্যায় প্রথম আলোকে বলেন, ‘দক্ষিণ আফ্রিকার এই স্ট্রেইন বাংলাদেশে পাওয়া গেছে। এর কথা আমরা সরকারের স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানকে (আইইডিসিআর) জানিয়েছি। তারা এ বিষয়ে অবগত।’

তবে আইইডিসিআর কর্তৃপক্ষ বিষয়টি সরাসরি স্বীকার না করে বলছে, বাংলাদেশে দক্ষিণ আফ্রিকার স্ট্রেইনের অস্তিত্বের বিষয়ে তাদের জানা নেই। জানতে চাইলে আইইডিসিআর পরিচালক অধ্যাপক তাহমিনা শিরিন প্রথম আলোকে বলেন, ‘এটার কথা আমরা জানি না। তবে জিসএআইডির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়েছে বলে জেনেছি।’

বিসিএসআইআরের বিজ্ঞানীরা আইইডিসিআরকে জানিয়েছেন কি না—এমন প্রশ্নে আইইডিসিআর পরিচালক প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমাদের এটি জানানো হয়নি।’
দক্ষিণ আফ্রিকায় পাওয়া করোনাভাইরাসের নতুন স্ট্রেইনটি জাপান, ফিলিপাইন, যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের ৬১টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। ভারতে চারটি, সিঙ্গাপুরে তিনটি, থাইল্যান্ডে ছয়টি ও চীনে একটি দক্ষিণ আফ্রিকার করোনার নতুন স্ট্রেইনের অস্তিত্ব মিলেছে।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, করোনাভাইরাসের চরিত্র হচ্ছে এটি দ্রুত নিয়মিতভাবে রূপান্তর হয়। বিশ্বে করোনাভাইরাসের হাজারো মিউটেন্ট আছে। তবে গবেষকেরা দক্ষিণ আফ্রিকার এই নতুন ভ্যারিয়্যান্ট ‘৫০১.ভি২’ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
বিবিসির গত ২৩ ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, দক্ষিণ আফ্রিকার এই স্ট্রেইনটি অধিকসংখ্যক মানুষকে সংক্রমিত করে মারাত্মক অসুস্থ করে ফেলে—এমন অকাট্য প্রমাণ নেই। তবে এ ধরনের ভাইরাস দ্রুত ছড়ায় এবং করোনার টিকা এই স্ট্রেইনের বিরুদ্ধে ভালো কাজ করে না। দক্ষিণ আফ্রিকার নতুন স্ট্রেইনের স্পাইক প্রোটিনে কিছু পরিবর্তন থাকে। এ কারণে এটি খুব সহজে মানুষের শরীরে প্রবেশ করে।

দক্ষিণ আফ্রিকার এই স্ট্রেইন বাংলাদেশে পাওয়া গেছে। এর কথা আমরা সরকারের স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানকে (আইইডিসিআর) জানিয়েছি। তারা এ বিষয়ে অবগত।’
বিসিএসআইআরের বিজ্ঞানী
নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিসিএসআইআর জিনোমিক রিসার্চ ল্যাবরেটরির এক বিজ্ঞানী প্রথম আলোকে বলেন, ‘দক্ষিণ আফ্রিকার এই ভ্যারিয়েন্টটি ‘এন ৫০১ ওয়াই’ নামের একটি মিউটেশন (রূপান্তর) বহন করে, যা এটিকে আরও সংক্রমণ বা ছড়িয়ে পড়তে সাহায্য করে। এই ভাইরাসের আরেকটি মিউটেশন ‘ই৪৮৪কে’ আরও ভয়াবহ। এটি মানুষের রোগ প্রতিরোধক্ষমতাকে ধোঁকা দিয়ে টিকার কার্যকারিতাকে প্রভাবিত করতে পারে।’

এদিকে যুক্তরাজ্য থেকে বাংলাদেশে আসা ছয়জনের দেহে করোনাভাইরাসের আরেক নতুন স্ট্রেইন পাওয়া গেছে। এটি আসার খবর মিলেছে এ বছরের জানুয়ারি মাসেই। রূপান্তরিত নতুন একটি ধরন বা স্ট্রেইন গত ডিসেম্বরে যুক্তরাজ্যে শনাক্ত হয়। আর গত ৫ জানুয়ারি বাংলাদেশে নতুন এই স্ট্রেইন শনাক্ত হয় বলে আইইডিসিআর থেকে জানানো হয়। বিসিএসআইআরের বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, তাঁরা নতুন করে ৯৩টি করোনাভাইরাসের হোল জিনোম সিকোয়েন্স করেছেন। এর মধ্যে অন্তত ৭০টির মধ্যে যুক্তরাজ্যের স্ট্রেইনের অস্তিত্ব পেয়েছেন।

Source:

https://www.prothomalo.com/bangladesh/%E0%A6%A6%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%BF%E0%A6%A3-%E0%A6%86%E0%A6%AB%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%A7%E0%A6%B0%E0%A6%A8-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A7%87

Related posts

January 1, 2022

3 more cases of Omicron infections found


Read more
December 31, 2021

World braces for Omicron tsunami


Read more
December 30, 2021

A sudden spike: 7 Covid-19 deaths, 509 cases in 24 hours


Read more

Search

Recent Posts

  • 3 more cases of Omicron infections found
    January 1, 2022
  • World braces for Omicron tsunami
    December 31, 2021
  • A sudden spike: 7 Covid-19 deaths, 509 cases in 24 hours
    December 30, 2021
  • In Bangladesh: First Omicron cases detected
    December 12, 2021
  • Omicron-a variant of concern
    December 12, 2021

Images

  • In pictures: Life in the time of coronavirus
    October 29, 2020
  • COVID-19: Pictures, Bangladesh steps up precautionary measures as its migrant workers return home
    June 30, 2020
  • Garment workers return from a workplace as factories reopened
    May 4, 2020
  • In pictures: How Dhaka looks during lockdown
    April 29, 2020
  • In Pictures: The effects of coronavirus lockdown in Bangladesh
    April 13, 2020

Our Address

Sustainable Development Networking Foundation (SDNF)
Firoz Tower (14th Floor), 152/3-B Pantho Path, Green Road, Dhaka-1205

Hours
Sunday–Thursday: 10:00AM–6:00PM

Hotline 24h:

+88 017 14063309

© 2021 Sustainable Development Networking Foundation (SDNF). All Rights Reserved